ফুটবল আবেগ এবং বিশ্বাস || Education-bd25 - EDUCATION

Breaking

Around the World

Thursday, July 9, 2026

ফুটবল আবেগ এবং বিশ্বাস || Education-bd25


কিছু মানুষ দেখছি, একজন ফুটবল খেলোয়াড় গোল করার পর সেজদা দিলেই ইসলাম, ঈমান আর দ্বীন নিয়ে আবেগে ভেসে যান। শুধু তাই নয়, এমনও দেখা যায়—কিছু জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা একটি নির্দিষ্ট দল হারুক বা জিতুক, সেই কামনায় প্রকাশ্যে দোয়া করছেন। সত্যিই এটি দুঃখজনক।

একটা বিষয় মনে রাখা দরকার—ফুটবল কোনো ইসলামী ইবাদত নয়, ইসলামের অংশও নয়। কেউ খেলার মাঠে সেজদা দিলেই সেই খেলাকে ইসলামের প্রতীক বানিয়ে ফেলা বা ঈমানের মাপকাঠি বানিয়ে ফেলা সঠিক নয়।

যদি সত্যিই ইসলাম ও ঈমানের প্রতি এতটাই দরদ থাকে, তাহলে সেই দরদ আগে কুরআন, সুন্নাহ এবং নিজের আমলে প্রকাশ পাক। একটি খেলাকে ধর্মের সঙ্গে জড়িয়ে অযথা আবেগ দেখানো নয়; বরং ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অনুযায়ী জীবন পরিচালনাই একজন মুসলিমের আসল পরিচয়।
 

 খেলাধুলার মাঠ ও ঈমানের উন্মাদনা
প্রদত্ত অনুচ্ছেদটিতে লেখক ফুটবল খেলার সাথে ধর্মীয় আবেগের সংমিশ্রণকে নিরুৎসাহিত করেছেন। খেলোয়াড়দের গোল পরবর্তী সেজদা দেখে কিংবা বক্তাদের কোনো দলের জন্য দোয়া করাকে তিনি অপ্রয়োজনীয় ভাবাবেগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, খেলাধুলা কোনোভাবেই ইসলামের ইবাদত বা ঈমানের মাপকাঠি হতে পারে না। তাই ফুটবলের মতো বিনোদনকে ধর্মের প্রতীকে রূপান্তরিত না করার জন্য তিনি পাঠকদের সতর্ক করেছেন। লেখক বিশ্বাস করেন, প্রকৃত ইসলামভীতি কেবল কুরআন, সুন্নাহ এবং ব্যক্তিগত আমলের মাধ্যমেই প্রকাশ পাওয়া উচিত। পরিশেষে, খেলা নিয়ে মেতে না থেকে ইসলামের মূল আদর্শ অনুযায়ী জীবন গঠনকেই একজন মুসলিমের আসল পরিচয় হিসেবে এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

'; (function() { var dsq = document.createElement('script'); dsq.type = 'text/javascript'; dsq.async = true; dsq.src = '//' + disqus_shortname + '.disqus.com/embed.js'; (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(dsq); })();